Showing posts with label Dr.Zakir Naik. Show all posts
Showing posts with label Dr.Zakir Naik. Show all posts

Friday, April 8, 2011

কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

আল কুরআনের চ্যালেঞ্জ

মানব সমাজের অভিব্যক্তি এবং সৃজন শীলতার অস্ত্র হিসেবে মানব সংস্কৃতিতে ব্যবহৃত হয়েছে সাহিত্য এবং কবিতা। পৃথিবীর এমন একটা সময়ের সাক্ষ্য আছে, যে সময় সাহিত্য এবং কবিতা গৌরবজনক মর্যাদা অর্জন করেছিল, ঠিক বর্তমানে যেমন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সেই মর্যাদা পেয়েছে।
মুসলমান ও অমুসলমান নির্বিশেষে সকলেই স্বীকার করে যে ‘কুরআন’ এক বিশেষ আরবি সাহিত্য। বরং বলা যায় যে, এটি বিশ্বের বুকে সর্বোৎকৃষট আরবি সাহিত্য।
নিম্নলিখিত আয়াতের অর্থ কুরআন মানব সমাজকে চ্যালেঞ্জ করেছে :
“আমি আমার বান্দার প্রতি যে গ্রন' ধারাবাহিকভাবে অবতীর্ণ করেছি, সে বিষয়ে যদি তোমরা সন্দেহ কর, তবে তদনুরূপ একটি সুরা রচনা করে আন। আর এজন্য আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সকল সমর্থক ও সাহায্যকারীদের ডেকে আন, যদি তোমরা তোমাদের সন্দেহে সত্যবাদী হও।”
অন্য আয়াতে বলা হয়েছে :
“কিন' যদি তোমরা তা না কর এবং নিশ্চয় তা তোমরা কখনও করতে পারবে না। তবে সেই অগ্নিকে তোমরা ভয় কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস'ত করা হয়েছে কাফিরদের জন্য।”(সূরা বাক্বারাহ, আয়াত : ২৩-২৪)
 
মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের চ্যালেঞ্জ হল, এতে সন্নিবেশিত সূরাগুলোর মত কেবল একটি সূরা রচনা করে আনা। কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় এই একই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এমন একটা সূরা রচনা করে দেখানোর চ্যালেঞ্জ, যেটি হবে সুন্দর, অলংকার পূর্ণ কুরআনের সূরাগুলোর অনুরূপ, তার থাকবে অর্থের গভীরতা এবং যা আধুনিককালের জন্যও হবে সমানভাবে প্রযোজ্য।
আধুনিক যুক্তিবাদী লোকেরা এই ধর্মগ্রন্থকে কখনো বিজ্ঞান গ্রন্থ হিসেবে মেনে নিবে না, যে ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে যে, প্রথিবী হল সমতল, যদিও কিনা সেই ধর্মগ্রন্থ সম্ভাব্য সর্বোৎকৃষ্ট কাব্যিক ভাষায় রচিত। কারণ আমরা এমন একটা সময়ে অব্স্থান করছি, যেখানে মানবীয় কার্যকরণ , যুক্তি এবং বিজ্ঞান আমাদেরকে চরম উৎকর্ষ দান করেছে। কেবল অসাধারণ উৎকৃষ্ট ভাষাই কুরআন ঐশ্বরিক বাণী হওয়ার প্রমাণ, এই দারি অনেকে মেনে নেবে না। যে কোনো ধর্মগ্রন'কে ঐশ্বরিক প্রত্যাদেশের মর্যাদা পেতে হলে তাকে অবশ্যই তার নিজস্ব যুক্তি ও তত্ত্বের বলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে হবে। যা পবিত্র আল-কুরআন  করতে পেরেছে।
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী  বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতে, “ধর্মহীন বিজ্ঞান হল খোঁড়া, বিজ্ঞানবিহীন ধর্ম হল অন্ধ।” এখানে আমরা কুরআনকে নিয়ে চর্চা করব এবং পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করব যে, কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞানের সম্পর্ক কতটা সুসংগত এবং কতটা অসংতগ ?

 আমরা জানি, বিজ্ঞান অনেক সময় ( তার পূর্বের ধ্যান ধারণা থেকে) ইউটার্ন তথা ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে গিয়ে নতুন অবস'ান গ্রহণ করে। এই বইয়ে আমি (ড. জাকির নায়েক) কেবল বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলোকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ধারণার উপর ভিত্তি করে কোনো প্রকল্প গড়তে এবং তত্ত্ব দাঁড় করে তাকে প্রমাণ করতে চাইনি।

Read More ... »

Thursday, April 7, 2011

কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান By ডা.জাকির নায়েক

ভূমিকা

*প্রথিবী নামক এই গ্রহে মানুষের পদার্পর্ণের সময় থেকে, মানুষ সব সময় প্রকৃতিকে জানতে চেষ্টা করেছে, সৃষ্টি পরিকল্পনায় তার অবস'ান, এমনকি তার উদ্দেশ্য-লক্ষ্য সম্পর্কেও। সত্যের এই অন্বেষণের লক্ষ্যে সে অতিক্রম করেছে বহু শতাব্দীর পর শতাব্দী এবং বহু সভ্যতা, প্রতিষ্ঠিত ধর্মব্যবস'া মানব জীবনকে নির্দিষ্ট পথে পরিচালনা করেছে এবং ঐতিহাসিক পদযাত্রা প্রসারিত করার ক্ষেত্রে তাকে বদ্ধমূল করেছে। যখন গ্রন' সর্বস্ব কিছু ধর্ম তার অনুসারীদের দ্বারা ঐশ্বরিক প্রেরণা দারি করেছে, তখন অন্যরা একান-ভাবে মানব অভিজ্ঞতার উপরে নির্ভর করতে চেষ্টা করছে।
ইসলামী বিশ্বাসের প্রধান উৎস মহাগ্রন' আল-কুরআন। সম্পূর্ণরূপে ঐশ্বরিক গ্রন' হিসেবে এটি মুসলমানদের দ্বারা বিশ্বাস স্থাপিত ও প্রমাণিত একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। মুসলমানরা এটাও বিশ্বাস করে যে, এতে রয়েছে সকল মানুষের জন্য সুস্পষ্ট পথ-নির্দেশনা। কুরআনের বার্তা যেহেতু সর্বসময়ের জন্য প্রযোজ্য ও বিশ্বস্থ, এ কারণে তা সর্বযুগের জন্য গ্রহণীয়। কুরআন কি এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ?  আমি এই বইতে প্রতিষ্ঠিত এবং প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আবিস্কারক এক বাস-ব পর্যবেষ্কণ উপস'াপন করছি।
বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে একটা সময় ছিল, যখন অলৌকিক ঘটনাবলি অথবা যেগুলোকে অলৌকিক বলে মনে হতো, তা মানবীয় যুক্তি-তর্কের উর্ধ্বে ছিল। কিন' আমরা কিভাবে অলৌকিক নামক বিষয়টির ব্যাখ্যা করতে পারি ?  অলৌকিক হলো সেই বিষয়, যা মানব জীবনের সাধারণ কারণ ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং যার পিছনে মানুষের কোনো ব্যাখ্যা নেই।
কোনো বিষয়কে অলৌকিক মেনে নেওয়ার আগে অবশ্যই আমাদের সজাগ থাকতে হবে। মুম্বাইয়ে ‘দা টাইমস অব ইন্ডিয়া’ পত্রিকার একটি আর্টিকেল ১৯৯৩ সালে সংবাদ মুদ্রিত হয়েছিল যে, ‘বাবা পাইলট’ নামে এক সন্ন্যাসী পরপর তিন দিন তিনরাত একটি ট্যাঙ্কের পানিতে বিরতিহীনভাবে ডুবে ছিলেন বলে দাবি করেছেন।
কিন্তু যখন রিপোর্টাররা- তিনি যে ট্যাঙ্কে এই দু:সাহসিক অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন, সেই পানির ট্যাঙ্কটির তলা পরীক্ষা করতে চাইলেন তিনি তাদেরকে তা করতে দেননি।
পক্ষান্তরে, তিনি এই যুক্তি দেখিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, যে মা সন্তানের জন্ম দেন, কেউ একজন কিভাবে সেই মায়ের জরায়ু পরীক্ষা করবে। ‘বাবা’ কিছু জিনিস গোপন করেছিলেন। এটা ছিল জনপ্রিয়তা অর্জন করার একটি কৌশলমাত্র। যুক্তিপূর্ণ চিন্তাভাবনার কণামাত্রও এতে আছে এমন বলা যায় না। কোনো মানুষই এই ধরণের অলৌকিক ঘটনাকে মেনে নিতে পারেন না। কিন্তু ভ্রান্ত অলৌকিক ঘটনাবলিই যদি ঐশীকতার নিদর্শন হতো, তাহলে বিশ্বখ্যাত জাদুকর পি.সি. সরকার- যিনি তার অসাধারণ ম্যাজিকের কৌশল ও বিভ্যমের জন্য সুখ্যাত, তাকে মেনে নিতে বাধ্য হতাম যে তিনি শ্রেষ্ঠ ঈশ্বরপুত্র ছিলেন।
ঐশী উৎসের দাবি করে প্রকৃত পক্ষে ‘কুরআন’ নিজের অলৌকিকতার দাবি উথাপন করেছে। কিছু কিছু দাবি যে কোনো যুগে সেই যুগের মাপকাঠিতে সহজেই প্রমাণ করা যায়। মুসলমানগণ বিশ্বাস করেন যে, কুরআন হলো আল্লাহর সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত প্রত্যাদেশ বা ঐশী বাণী, এটি হলো মানব জাতির প্রতি অনুকম্পাস্বরূপ সমস্ত অলৌকিক গ্রন্থসমূহের সধ্যে শ্রেষ্ঠ অলৌকিক গ্রন্থ। সুতরাং এখানে আমরা সর্ব প্রথম এই বিশ্বাসের সত্যাসত্য অনুসন্ধান করব।
Read More ... »
 

© 2009 Islam And Computing । Science without Religion is Lame, Religion without Science is Blind | Design by: Islam And Computing

^Back to Top